কম্পিউটার ও ইলেক্ট্রনিক্স

Thursday, Mar 18th

Last update:04:38:19 PM GMT

> প্রথম পাতা
 
  • জনপ্রিয়

  • সর্বশেষ

 


ট্যাগ:desktop video
 আচ্ছা, মাইকেল জ্যাকসন যদি এরশাদ শিকদারের সেই বিখ্যাত গান “আমিতো মরে যাব….“ গায় কেমন লাগবে? অথবা মমতাজ যদি গেয়ে ওঠে La Isla Bonita !!! হ্যাঁ, VCDCutter দিয়ে এসব করা সম্ভব। এছাড়া ও আপনি আপনার পারিবারিক ভিডিও তে আপনার পছন্দের গান দিতে পারবেন। এইসব কাজকে বলে অডিও ডাবিং। অডিও ডাবিং করার জন্য বিভিন্ন প্রফেশনাল সফটওয়্যার পাওয়া যায়।
বিস্তারিত...  
 ফটো দিয়ে ভিসিডি/ডিভিডি বানানোর জন্য অনেক রকম সফটওয়্যার পাওয়া যায়। আমি আপনাদের দেখাব Ulead Video Studio 9 দিয়ে ভিসিডি/ডিভিডি তৈরীর প্রক্রিয়া।
১. Ulead Video Studio 9 রান করুন।
২. File—Preferences… এ যান General ট্যাবে Use default transition effect বক্সে টিক মার্ক দিন। Default transition effect: এ ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে Random সিলেক্ট করুন। Edit ট্যাবে Default inserted image/color clip duration: এ ২০ দিন। অর্থাত প্রত্যেকটা ফটো ২০ সেকেন্ড করে দেখাবে। আপনি এখানে আপনার পছন্দ মত মান দিতে পারেন। Default transition effect duration: এ দিন ৫। অর্থাত একটা ফটো থেকে আরেকটা ফটোতে যেতে এনিমেশনটা ৫ সেকেন্ড স্থায়ী হবে। এটার মান ও আপনার পছন্দমত দিতে পারেন। OK বাটন প্রেস করুন।

বিস্তারিত...  
 Firewire/IEEE 1394 হচ্ছে কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে হাই স্পিড ডাটা আদান প্রদানের সিষ্টেম। সাধারনত ভিডিও ক্যামেরা থেকে কম্পিউটারে ডাটা ট্রনসফারের জন্য হাই ব্যান্ডউইডথ প্রয়োজন হয় ফলে প্রচলিত বাসগুলো ব্যবহার করে ভিডিও ক্যাপচার করলে ফ্রেম মিস হয়ে যায় এবং হাই রেজুলেশনের ভিডিও ক্যাপচার করা অনেক সময় সম্ভব হয়না। এই সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে ওঠার জন্যই মুলত Firewire/IEEE 1394 ডেভেলপ করা হয়েছে। অনেক কম্পিউটারে বিশেষ করে লেটেষ্ট ল্যাপটপ কম্পিটারগুলোতে Firewire কার্ড বিলটইন থাকে। আপনার পিসিতে যদি Firewire কার্ড বিলটইন না থাকে চিন্তার কোন কারন নাই আলাদাভাবে Firewire কার্ড বাজরে পাওয়া যায়। এই কার্ডগুলো কিনে আপনার পিসির যে কোন একটা PCI স্লটে বসিয়ে দিলেই হবে।
 
 সুন্দর এবং সহজ ইউজার ইন্টারফেসের জন্য ইউলিড এর প্রত্যেকটি সফটওয়্যারই জনপ্রিয়। Ulead DVD Workshop 2 ও তার ব্যাতিক্রম না। সুন্দর, ছিমছাম, সহজ……এক কথায় দারুন!!! তাহলে দেখা যাক Ulead DVD Workshop 2 দিয়ে কিভাবে VideoDVD তৈরী করা যায়।
১. Ulead DVD Workshop 2 রান করুন।
২. New Project এ ক্লিক করুন। New Project উইন্ডো ওপেন হবে। যেকোন একটা প্রজেক্ট নেম দিন। প্রজেক্টটি কোথায় সেভ হবে সে জন্য অন্তত ৮ গিগা বাইট ফ্রি আছে এমন একটি ড্রাইভ সিলেক্ট করুন। TV System এ PAL/SECAM অথবা NTSC সিলেক্ট করুন। আমাদের দেশের জন্য PAL/SECAM দেওয়া ভালো তবে NTSC সিলেক্ট করলে ও ডিভিডি দেখতে পারবেন। OK ক্লিক করুন।

বিস্তারিত...  
 সারাদিন ধরে বোনের বিয়ের ভিডিও করেছেন অথবা ভাতিজার জন্মদিনের ভিডিও করেছেন পরে প্রিভিউ দেখতে গিয়ে দেখলেন ছবি একটু বেশী অন্ধকার হয়ে গেছে অথবা ভিডিও কোয়ালিটি ভাল না। তখন আপনার আফসোস করা ছাড়া আর কোন গতি থাকবেনা কারন ঘটনাগুলোতো আর ফিরে আসবেনা অথচ কিছু প্রাথমিক নিয়মকানুন জানা থাকলে এমনটি হতোনা। আসুন দেখি কি কি প্রাথমিক নিয়মকানুন জানা থাকলে ভাল ভিডিও ধারন করা যায়। তবে মনে রাখবেন ভালমানের ক্যামেরাম্যান হওয়ার জন্য প্রচুর পড়াশোনা এবং অভিজ্ঞতা দরকার।
অতিমাত্রায় জুম করাঃ
অনেকে ভিডিওর মধ্যে বেশী পরিমানে জুমইন জুমআউট করেন। এটা মোটেই উচিত নয় কারন এতে দর্শক বিরক্ত হয়ে যান।
হাত স্থির রাখুনঃ
বেশীর ভাগ নতুন ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের কমন সমস্যা হচ্ছে ভিডিও স্থির থাকেনা। যার ফলে ভিডিও নিম্ন মানের হয়। তাই ভিডিও করার সময় হাত স্থির রাখার চেষ্টা করুন।
আশেপাশের পরিবেশ ফুটিয়ে তুলুনঃ
আপনি যেখানে ভিডিও করছেন তার আশেপাশের পরিবেশকে ও গুরুত্ব দিন। আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কোন স্থাপত্য থাকলে তা আপনার ভিডিওতে ফুটিয়ে তুলুন।

বিস্তারিত...  
 ইউজার ফ্রেন্ডলি বিভিন্ন সফটওয়্যারের কল্যানে ভিডিও থেকে ভিসিডি/ডিভিডি তৈরী করা এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। ভিসিডি/ডিভিডি অথরিং সফটওয়্যার কেনার আগে নিচের বিষয়গুলি বিবেচনা করবেন।
সহজে ব্যবহারযোগ্যঃ
যে কোন প্রোগ্রাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর সহজ ইউজার ইন্টারফেসের ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ন। অথরিং সফটওয়্যার খুঁজতে গেলে দেখবেন হাজারো রকমের সফটওয়্যার কিন্ত বেশীর ভাগ সফটওয়্যারই ভীষন জটিল।

বিস্তারিত...  
 বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভিডিও ক্যামেরা পাওয়া যায় যেমনঃ - Sony, Panasonic, Canon, JVC ইত্যাদি। মডেল ভেদে এসব ক্যামেরার দাম ৩০০০০ টাকা থেকে ২৫০০০০ পর্যন্ত হতে পারে। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন বেশী দাম দিয়ে ক্যামেরা কিনলেই সেটা ভালো হবে তেমন কোন কথা নেই। ক্যামেরা কেনার সময় দামের চাইতে নিম্নোক্ত বিষয়ের প্রতি নজর বেশী দিতে হবে।


বিস্তারিত...  
ইন্টারনেটে সার্চ করলে প্রচুর ফ্রি ভিডিও



এডিটিং সফটওয়্যার পাবেন। কিন্তু বেশির ভাগ সফটওয়্যারই তেমন কাজের না। কিছু



সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে দেখবেন সফটওয়্যারটি সম্পর্কে যে রকম বলা হয়েছে সে



রকম না আবার কিছু সফটওয়্যারে খুব কম অপশন দেওয়া থাকে। তারপরে ও কিছু ফ্রি



ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার আছে যা দিয়ে দামি প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং



সফটওয়্যারের মতই কাজ করা যায়।
সে রকম কিছু সফওয়্যারের কথা আজ আপনাদের কে বলব।



















বিস্তারিত...  
 যারা ডেস্কটপ ভিডিও সম্পর্কে পড়ে আগ্রহী হচ্ছেন কিন্তু এখনো পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে তেমন ধারনা নাই তাদের জন্য এই লেখা। মোট চারটি ধাপে ডিজিটাল ভিডিও প্রোডাকশনের কাজটি হয়।
প্রথমে ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে দৃশ্য ধারন করা হয়। এরপর ইউএসবি অথবা ফায়ারওয়্যার ক্যাপচার কার্ড দিয়ে ভিডিওটি ক্যাপচার করে কম্পিউটারে রাখা হয়। এই ভিডিও কে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে এডিট করা হয় এবং সর্বশেষে সিডি অথবা ডিভিডিতে রাইট করে ভিডিওটি সরবরাহ করা হয়।
 
 ডেস্কটপ কম্পিউটারভিত্তিক ভিডিও এডিটিং আমাদের দেশে ও আস্তে আস্তে জনপ্রিয় হচ্ছে। বর্তমানে অনেকেই এ লাইনে কাজ করছেন। নতুন যারা এই প্রফেশনে আসতে চায় তাদের বেশীর ভাগই বুঝতে পারে না কি ধরনের কম্পিউটার এই কাজের জন্য উপযোগী। ডেস্কটপ কিনবে না ল্যাপটপ কিনবে? হার্ডডিস্ক কতটুকু লাগবে? র‌্যাম কতটুকু লাগবে? প্রসেসর কি ধরনের লাগবে? ইত্যাদি ইত্যাদি। ভিডিও এডিটিং এর জন্য পিসি কিনতে গেলে যে তিনটি জিনিসের উপর বেশী গুরুত্ব দিতে হবে তা হচ্ছে প্রসেসর, র‌্যাম, হার্ডডিস্ক। ঠিক আছে দেখা যাক কি ধরনের কম্পিউটার হলে আপনি ভিডিও এডিটিং এর কাজ ভালভাবে করতে পারবেন।

বিস্তারিত...